জানা যায়, মুন্না একসময় যশোরের স্থানীয় দৈনিক গ্রামের কাগজ পত্রিকার কম্পিউটার বিভাগে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকায় চলে যান এবং গত কয়েক বছর ধরে আরামবাগ এলাকার একটি কম্পিউটার ডিজাইন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে আরামবাগের ভাড়া বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মুন্নার মরদেহ পাওয়া যায়। মৃত্যুর আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিদায়ী স্ট্যাটাসও দেন।
নিহতের পরিবার জানায়, সেহরির সময়ও মুন্না তার মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং তখন তার আচরণ ছিল একেবারেই স্বাভাবিক। এমনকি আগামী শনিবার তার যশোরে ফেরার পরিকল্পনাও ছিল।
মুন্নার বাবা যশোর থেকে জানান, সেহরির সময় যার আচরণ স্বাভাবিক ছিল, তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এমন মৃত্যু পরিবার কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না। তাদের সন্দেহ, এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা রহস্য থাকতে পারে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।