বিশ্বকাপের নিজের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে নেদারল্যান্ডস। সেই আগ্রাসী মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে স্কোরলাইনেও। ব্রায়ান ব্রবির দুর্দান্ত জোড়া গোলে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই সুইডেনকে চাপে ফেলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ডাচরা। তারই ধারাবাহিকতা দেখা যায় প্রথমার্ধের বিরতির পরও। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ৪ গোল হজম করে সুইডিশরা। এরপরও অবশ্য দমে যায়নি সুইডেন। ৫৯তম মিনিটে সুইডেনের হয়ে ব্যবধান কমান অ্যান্থনি এলাংগা। শেষ পর্যন্ত ৫-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডাচরা।
বাংলাদেশ সময় শনিবার (২০ জুন) রাত ১১টায় হিউস্টনে শুরু হওয়া ম্যাচে মাত্র ৫ মিনিটেই এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। দ্রুত গড়ে ওঠা আক্রমণে তিজ্জানি রেইনডার্সের পাস থেকে বল পান কোডি গাকপো। লিভারপুল তারকা বাম দিক থেকে বক্সে নিচু ক্রস পাঠালে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান ব্রায়ান ব্রবি।
প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আরও একবার উদযাপনে মাতে ডাচ সমর্থকেরা। ম্যাচের ১৭ মিনিটে ডান দিক থেকে ডেনজেল ডামফ্রিসের বাড়ানো পাসে পা ছুঁইয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রবি। এতে শুরুতেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। নেদারল্যান্ডসের জার্সিতে এটি ব্রায়ান ব্রবির তৃতীয় গোল। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও আক্রমণের ধার ধরে রেখে সুইডেনের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে ডাচরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ায় নেদারল্যান্ডস। ৪৭ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা ক্রসে পা ছুঁইয়ে গোল করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন গাকপো। ৫৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। বদলি হিসেবে নেমে দারুণ খেলতে থাকা সামারভিলের বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান গাকপো, ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০।
এর পাঁচ মিনিট পর একটি গোল শোধ করে সুইডেন। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ইসাকের নিখুঁত পাস পেয়ে এলাঙ্গা ঠান্ডা মাথায় বাঁ পায়ের চিপ শটে বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান কমান ৪-১।
ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে একটি গোল পায় নেদারল্যান্ডস। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে নেদারল্যান্ডসের পক্ষে পঞ্চম গোলটি করেন ক্রিসেন্সিও সামারভিল। বাকি সময়ে বড় কোনো নাটকীয়তা না ঘটলে ৫-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডাচরা।
এর আগে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় ছিল সুইডেন। অন্যদিকে জাপানের বিপক্ষে ড্র করে এই ম্যাচে নেমেছিল নেদারল্যান্ডস।