শিক্ষিকার রিল বিতর্ক: ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ গান নিয়ে যা বললেন শিল্পী মেজবাহ রহমান

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৭ জুলাই ২০২৬ ০৪:২২ অপরাহ্ণ   |   ৩৬ বার পঠিত
শিক্ষিকার রিল বিতর্ক: ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ গান নিয়ে যা বললেন শিল্পী মেজবাহ রহমান

বিনোদন ডেস্ক:


 

তিন দশকেরও বেশি সময় আগে প্রকাশিত জনপ্রিয় গান ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে, অঝোরে নামবে বুঝি শ্রাবণের ধারা...’ নতুন করে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের এক স্কুলশিক্ষিকার রিল ভিডিওকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের পর গানটির শিল্পী ও ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের প্রধান ভোকাল মেজবাহ রহমান বিষয়টি নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
 

গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে মেজবাহ রহমান বলেন, গানটি একটি চিরন্তন বর্ষার গান। ১৯৮৯ সালে এটি তৈরি এবং ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হলেও দীর্ঘ ৩৬ বছর পরও এর জনপ্রিয়তা অটুট রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিকমাধ্যমে বিভিন্ন প্রসঙ্গে গানটি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা তিনি ভিন্নধর্মী অনুভূতি হিসেবে দেখছেন।
 

সম্প্রতি এই গান ব্যবহার করে একটি রিল ভিডিও প্রকাশ করেন ফেঞ্চুগঞ্জের এক স্কুলশিক্ষিকা বিউটি পাল। ভিডিওটি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তবে দেশের বিভিন্ন এলাকার শিক্ষক ও তার সহকর্মীরা একই গান ব্যবহার করে রিল তৈরি করে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন।
 

বিউটি পালের প্রসঙ্গে মেজবাহ রহমান বলেন, সমাজে শিক্ষকরা অত্যন্ত সম্মানিত। শিক্ষার্থীদের সামনে তাদের কিছু বিষয়ে অবশ্যই দায়িত্বশীল থাকতে হয়। তবে ওই রিল ভিডিও নিয়ে যেভাবে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা তার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়েছে। তিনি বলেন, ভিডিওটিতে নেতিবাচক বা অনৈতিক কোনো বিষয় তিনি খুঁজে পাননি এবং একটি অংশ কী কারণে এতে আপত্তিকর কিছু দেখছে, সেটিও তার বোধগম্য নয়।
 

সামাজিকমাধ্যমের প্রসঙ্গ টেনে এই সংগীতশিল্পী আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিকমাধ্যমকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। প্রয়োজনেই সবাই এটি ব্যবহার করেন। তাই একটি ঘটনার একপাক্ষিক মূল্যায়ন করে কাউকে দোষারোপ করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
 

এদিকে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল মোল্লা জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
 

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মেজবাহ রহমান। তার মতে, ভিডিওটিতে নেতিবাচক কোনো বিষয় না থাকায় ঘটনাটি নমনীয়ভাবে বিবেচনা করা উচিত।