পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, শরিফুল ইসলাম এর আগেও আদালত থেকে পালিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় পুলিশ সদস্যকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি। ওই ঘটনায় সেদিনই হাজতখানার ইনচার্জ রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
ওই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকায় মঙ্গলবার শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। তবে নির্ধারিত দিনে কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
এরপর ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল আলিম শরিফুলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে তিনি পালিয়ে যান।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কোতোয়ালি থানার মামলায় হাজতি শরিফুল ইসলাম কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন। সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
পলাতক শরিফুলকে আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।