অনলাইন ডেস্ক
বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত না করে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া তাকে বিস্মিত করেছে। তার মতে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে আরও কার্যকর ও সমন্বিত সমাধান বের করা সম্ভব ছিল।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর-১৩ থেকে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকার হোপ মার্কেট পর্যন্ত ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সিটি করপোরেশনের কিছু সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আক্রান্ত হন। পুলিশের সদস্যদের সঙ্গেও ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীদেরও বাধার মুখে পড়তে হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, উচ্ছেদ অভিযানে সংঘাতের পরিবর্তে এমন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, যাতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের পথও নির্বিঘ্ন থাকে। এজন্য সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ও চাঁদাবাজ ব্যক্তি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে চাঁদা নিয়ে ব্যবসার সুযোগ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আর্থিক চাপ শেষ পর্যন্ত ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে।
জামায়াত আমিরের ভাষ্য, বিচ্ছিন্নভাবে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় সমন্বিত, সুপরিকল্পিত ও টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।