আবদুল হাকিম রানা, দক্ষিণ চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম পটিয়ায় অবস্থিত ফুলকলি ইন্ডাস্ট্রি ও পাচুরিয়ার বনফুল ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি কারখানাগুলোর সার্বিক পরিবেশ, উৎপাদন কার্যক্রম এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো ঘুরে দেখেন।
প্রথমে ফুলকলি ইন্ডাস্ট্রি পরিদর্শন করেন এমপি এনামুল হক। এ সময় তিনি কারখানার ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) পরিদর্শনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কারখানাটি আগের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এমপি এনামুল হক বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ফুলকলি কর্তৃপক্ষ যে অগ্রগতি করেছে, তা প্রশংসনীয়। তবে অবশিষ্ট ১০ শতাংশ কাজও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে কারখানার পরিবেশ শতভাগ স্বাস্থ্যসম্মত করার জন্য তিনি কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দেন।
ফুলকলি ইন্ডাস্ট্রির পটিয়া শাখার জিএম জসিম উদ্দিন বলেন, “আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করে কারখানার পরিবেশগত উন্নয়ন ৯০ শতাংশ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়েছি। আশা করছি, দ্রুতই বাকি ১০ শতাংশ কাজও সম্পন্ন করতে সক্ষম হব।”
পরে এমপি এনামুল হক পাচুরিয়ায় অবস্থিত বনফুল ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন। তিনি পুরো কারখানা ঘুরে দেখার পাশাপাশি ইটিপি প্লান্টসহ উৎপাদন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। কারখানাটির সার্বিক পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত ও সন্তোষজনক হওয়ায় তিনি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ কোনো পণ্য পটিয়ায় বিক্রি করা হলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বনফুল ফ্যাক্টরির জিএম শাহ কামাল মোস্তফা বলেন, “আমরা পরিবেশসম্মত ফ্যাক্টরি নিশ্চিত করেছি। বিএসটিআইয়ের নির্দেশনা মেনেই এখানে পণ্য উৎপাদন করা হয়।” কারখানা পরিদর্শন করায় তিনি এমপি এনামুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
পরিদর্শনকালে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক আনিসুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মঈনুদ্দিন ফয়সাল, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, মইনুল আলম ছোটনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।