প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জ্বালানি সংকট শুরু হওয়ার পর দেশটিতে তেলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে এবং পরিবহন খাতেও মারাত্মক চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে BBC জানিয়েছে, ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ১১৬ ডলার ১০ সেন্টে পৌঁছেছে, যা ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি। অন্যদিকে ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২ ডলার ৩০ সেন্টে।
গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। তেল ও গ্যাস স্থাপনায় হামলার কারণে গ্যাসের দামও বেড়েছে, যার প্রভাব সরাসরি ভোক্তাদের ওপর পড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় ৩ দশমিক ৯৮ ডলারে পৌঁছেছে।
এছাড়া হুথি বিদ্রোহী-দের হামলা ও উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতির পূর্ণ প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়। অনিক্স ক্যাপিটাল গ্রুপের প্রধান গ্রেগ নিউম্যান জানান, ইউরোপে এর প্রভাব পুরোপুরি বুঝতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে এবং তেলের দাম আরও বেড়ে ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।