প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রচ্ছন্ন হুমকি ছুঁড়ে রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখে, তবে তারা ‘কফিনে করেই ফিরবে’। এই সতর্কবার্তা এমন সময় এসেছে, যখন মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের কথা ভাবছে।
ওয়াশিংটন ইরানের ভেতরে স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন মোতায়েন হলে এটি অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষ করতে শান্তি আলোচনা চলছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য হলো ট্রাম্পকে সামরিক বিকল্পের পরিধি বাড়িয়ে দেওয়া। ইতোমধ্যে হাজার হাজার প্যারাট্রুপার ও মেরিন সেনা ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।
একজন ইরানি কর্মকর্তা জানান, যদি যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান চালায়, তবে তেহরান হুথি বিদ্রোহীদের সক্রিয় করবে। ইয়েমেনভিত্তিক এই গোষ্ঠীকে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর আবার হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হতে পারে, যা যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট খুলে দেবে।
তবে ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে বলে আসছেন তিনি ইরানের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধে সেনা পাঠানোর কোনো ইচ্ছা রাখেন না। অতিরিক্ত মার্কিন সেনারা কোথায় অবস্থান নেবে তাও স্পষ্ট নয়। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের সম্ভবত ইরান ও তার গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ আইল্যান্ডের কাছাকাছি স্থাপন করা হতে পারে।
তবে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে, তারা তেহরানের কেন্দ্রে ‘ইরানি সন্ত্রাসী শাসনের’ অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। একই দিনে তারা বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলেও পুনরায় হামলা চালায় দখলদার দেশটি। যেখানে তাদের দাবি অনুযায়ী হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু ছিল।