নিউজ ডেস্ক, ঢাকা প্রেস
জীবনের কঠিন সময়ে মানুষ যখন হতাশায় ভেঙে পড়ে, তখন তার পাশে খুব কম মানুষকেই দাঁড়াতে দেখা যায়। অধিকাংশ মানুষ ব্যর্থতার গল্পটাই দেখে, কিন্তু সেই ব্যর্থতার পেছনের কষ্ট, সংগ্রাম ও মানসিক যন্ত্রণাকে গুরুত্ব দেয় না। কেউ সাময়িক সহানুভূতি প্রকাশ করলেও, অনেকে নীরবে উপভোগ করে একজন মানুষের থেমে যাওয়া জীবনযাত্রা।
তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতিও বদলে যায়। একসময় সেই মানুষটিই নিজের ভাঙা স্বপ্নগুলো নতুন করে গড়ে তোলে। আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে আবার সামনে এগিয়ে যেতে শুরু করে। আর তখনই সমাজের অনেকের চোখে সে হয়ে ওঠে অস্বস্তির কারণ।
বিশ্লেষকদের মতে, সমাজ সাধারণত দুর্বল ও ভেঙে পড়া মানুষকে সহজে মেনে নিলেও আত্মসম্মান ও সাহস নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো মানুষকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে না। কারণ, একজন মানুষের পুনরুত্থান অন্যদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার সামনে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
তাদের মতে, জীবনের সবচেয়ে কঠিন যুদ্ধ বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে নয়, বরং মানুষের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতিবাচক মানসিকতার সঙ্গেই লড়তে হয়।
তাই জীবনের মূল শিক্ষা হলো—ভেঙে পড়া নয়, বরং প্রতিবার পড়ে গিয়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর মধ্যেই জীবনের প্রকৃত শক্তি নিহিত।
লেখা: মোখলেছুর রহমান, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।