উপাচার্যের একান্ত সচিব পদে নিয়োগ স্থগিতের নির্দেশ হাইকোর্টের

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১০ মার্চ ২০২৬ ০৮:৩৫ অপরাহ্ণ   |   ৪১ বার পঠিত
উপাচার্যের একান্ত সচিব পদে নিয়োগ স্থগিতের নির্দেশ হাইকোর্টের

চাঁদপুর প্রতিনিধি 

 

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের একান্ত সচিব (সহকারী রেজিস্ট্রার) পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।
 

মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
 

রিটকারী পক্ষের আইনজীবী সিদ্দিক উল্লাহ জানান, ২০২১ সালে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের একান্ত সচিব (সহকারী রেজিস্ট্রার) পদে প্রথম কর্মকর্তা হিসেবে অ্যাডহক ভিত্তিতে যোগ দেন মেহেদী হাসান। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে পদটি স্থায়ীভাবে পূরণের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই বিজ্ঞপ্তির আলোকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য আবেদন করেন তিনি।
 

তবে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন না করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টালবাহানা শুরু করে বলে অভিযোগ করেন রিটকারী। এ অবস্থায় ২০২৪ সালে মেহেদী হাসান হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। আদালত রিটটি আমলে নিয়ে রুল জারি করেন।
 

আইনজীবী আরও জানান, রুল নিষ্পত্তির আগেই গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একই পদে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে ওই বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগ স্থগিতের আবেদন জানানো হলে আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ দেন।
 

এ বিষয়ে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. পেয়ার আহম্মেদ বলেন, আদালতের এমন একটি আদেশের কথা তিনি শুনেছেন, তবে এখনো আনুষ্ঠানিক কাগজপত্র হাতে পাননি। তিনি বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে কারও প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ নেই। কাউকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, আবার কাউকে বিশেষভাবে সহায়তাও করা হবে না।” আদালতের আদেশের কাগজপত্র হাতে পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
 

রিটকারী মেহেদী হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বলে তিনি মনে করেন। আদালতের স্থগিতাদেশে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ার আশাবাদী তিনি।