ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৩৮ অপরাহ্ণ   |   ৫৮ বার পঠিত
ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ পাঁচ গুণ বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
 

বুধবার প্রকাশিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনী-সংক্রান্ত চূড়ান্ত গেজেটে এসব বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
 

নতুন বিধান অনুযায়ী, চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীর জামানত ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
 

এ ছাড়া চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের তুলনায় নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা দ্বিগুণ হয়েছে।
 

সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ না পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। ১৫ শতাংশ বা তার বেশি ভোট পেলে জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
 

চেয়ারম্যান প্রার্থীর ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকা ট্রেজারি চালান, পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুকূলে জমা দিতে হবে। একই প্রার্থীর পক্ষে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও একাধিক জামানত দিতে হবে না।
 

জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্য কোনো প্রার্থী সরকারি গেজেটে নির্বাচনি ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা গ্রহণ না করলে ওই অর্থ অফেরৎযোগ্য হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
 

নির্বাচনি ব্যয়ের নতুন সীমা

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, চেয়ারম্যান প্রার্থী সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থী সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা নির্বাচনি প্রচারে ব্যয় করতে পারবেন। নির্বাচন-পূর্ব সময়ের প্রচারণার ক্ষেত্রেও বিধিমালার এসব বিধান প্রযোজ্য হবে। বিধিমালার পরিপন্থি কোনো কাজে অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
 

চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য তফসিলি ব্যাংকে আলাদা ব্যাংক হিসাব খোলার বিধান রাখা হয়েছে। নির্বাচনি ব্যয়ের সব অর্থ ওই হিসাবের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে।
 

এ ছাড়া কোনো খাতে ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ব্যয় হলে তা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করার বিধান রাখা হয়েছে।
 

এর আগে ইউপি নির্বাচন বিধিমালার সংশোধনী খসড়া চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ভেটিং ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশোধিত বিধিমালার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হলো।