মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি জাকির, সম্পাদক জাহিদুল বিজয়ী

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৪ মার্চ ২০২৬ ০৪:০৯ অপরাহ্ণ   |   ৪১ বার পঠিত
মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি জাকির, সম্পাদক জাহিদুল বিজয়ী

যশোরের মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে জাতীয় দৈনিক নাগরিক ভাবনা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মো. জাকির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জাতীয় দৈনিক জবাবদিহি ও জেটিভির উপজেলা প্রতিনিধি মো. জাহিদুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

 

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ক্লাব কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পরে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়।

 

নবনির্বাচিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—
দপ্তর সম্পাদক: বিএম সাব্বির হাসান (স্টাফ রিপোর্টার, প্রতিদিনের কণ্ঠ)
কোষাধ্যক্ষ: মো. আব্দুল আলিম (প্রতিনিধি, দৈনিক সকালের বার্তা)
সাংগঠনিক সম্পাদক: এসএম ফারুকুল ইসলাম (প্রতিনিধি, দৈনিক দেশ বুলেটিন)
প্রচার সম্পাদক: মো. তহিদুল ইসলাম (স্টাফ রিপোর্টার, সোনালী নিউজ টিভি)

নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন— প্রদীপ কুমার মণ্ডল (প্রতিনিধি, দ্য ডেইলি ট্রাইবুনাল)।

 

দ্বি-বার্ষিক এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নুর-ইসলাম ও সুমন চক্রবর্তী। নির্বাচন চলাকালে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মণিরামপুর থানা পুলিশের একটি দল দায়িত্ব পালন করে।

 

নির্বাচন পরিদর্শন করেন মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাফায়ত হোসেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন, সম্ভাব্য পৌর মেয়র প্রার্থী মাওলানা মহিউল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রিয়াদ হোসেন, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপজেলা সভাপতি ইবাদুল ইসলাম মনু।

 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রিপোর্টার্স ফর জাস্টিস (আরজেএফ)-এর কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সাজ্জাদ আলম খান সজল, নড়াইল জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রিপন বিশ্বাস, জেলা নির্বাহী সদস্য সৈয়দ ওয়াহিদুল রহমান (মুকুল), মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুমন চক্রবর্তী এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নুর-ইসলাম, এসএম তাজামুল হুসাইন, তহিদুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল-মামুন।

 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ক্লাবের বৃহত্তর স্বার্থে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীরা সম্মিলিতভাবে আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবেন।