নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ তরিকত পরিষদ (বিটিপি) আয়োজিত মতবিনিময় সভা গতকাল শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন তরিকা ও দরবারের পীর-মাশায়েখগণ অংশগ্রহণ করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিটিপির চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আল্লামা ছুফি ছৈয়দ জাফর ছাদেক শাহ। চট্টগ্রাম দরবার শরীফের ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশ তরিকত যুব পরিষদ জেলা শাখার সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভান্ডার দরবার শরীফের গাউসিয়া রহমান মঞ্জিলের শাহজাদা সৈয়দ নাঈমুর রহমান মাইজভান্ডারী।

বিশেষ অতিথিবৃন্দ
সভায় বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
বিটিপির সভাপতি আবুল বাশার খান্দানি
সেক্রেটারি শামসুল আলম চিশতী
প্রেসিডিয়াম সদস্য আলী রেজা রয়েল হায়দারী, শাহসুফি নঈমুদ্দিন
সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার মোল্লা, দলীলুর রহমান রাহমান রাজাপুরী
ডা. সৈয়দ এয়াকুব আলী, এ আর কামরুল ইসলাম
অর্থ সম্পাদক হাবিবুন্নবী হাই বখশি
হাশেম ফকির মাইজভাণ্ডারী, সৈয়দ গোলাম মওলা, শাহজাদা ছালেকুল মওলা
ইরফান আহমেদ নজুভাণ্ডারী, ডা. সৈয়দ আরেফ হোসাইন, সৈয়দ ইরফানুল হক হাফেজনগরী
মিনহাজুল আমিন রিফাত আজহারী, ছৈয়দ মশিউর রহমান রাহাত, ফয়জুল আমিন ফরহাদাবাদী
জোনায়েদ আজিম আমিরী, ইসমাইল আহমেদ চিশতী, এডভোকেট ফেরদৌস আলম
আলী রেজা, আব্দুর রহিম আমিরী, খলিফা ছৈয়দ সোলতানুল আলম
প্রিন্সিপ্যাল মাওলানা আবুল কাশেম, নাছির উদ্দিন
সাংবাদিক মাহবুব, বার্তা সম্পাদক খাজা নিজামুদ্দিন
তানভিরুল ইসলাম কাদেরী, দপ্তর সম্পাদক মিলন পরদেশী, নজরুল ইসলাম বদরপুরী
কেন্দ্রীয় যুব প্রধান শাহ মিডু
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর যুব শাখার আহ্বায়ক খিজির শাহ, ঢাকা দক্ষিণের আহ্বায়ক রাসেল অয়ন, গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি রিয়াদ হোসেন, নাসির উদ্দিন, মোবারক হোসেন, ব্রাক্ষণবাড়িয়া যুব আহ্বায়ক খলিফা কিবরীয়া, ফেনীর আহ্বায়ক হাসনাত সুজন, কক্সবাজার আহ্বায়ক শেখর বি. রাসেল, চট্টগ্রাম জেলা যুব সেক্রেটারি আলী আকবর বাবুল, ডা. রবিন, এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বিপু প্রমুখ।
সভা পরিচালনা ও সমাপ্তি
মতবিনিময় সভাটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন পীরজাদা অভি বৈরাবরী ও শাহজাদা সাইফুল আলম নাইডু। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শতাধিক দরবারের পীর-মাশায়েখগণ অংশগ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, “তরিকতে ইসলামী সংঘ ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যেকোনো হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং তা মেনে নেওয়া যায় না।”
শেষে বিশেষ দোয়া ও তবারুক বিতরণের মধ্য দিয়ে সভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।