সচিবালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক নিয়ে জামায়াতের সমালোচনা

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৩ আগu ২০২৬ ০২:০১ অপরাহ্ণ   |   ৫৬ বার পঠিত
সচিবালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক নিয়ে জামায়াতের সমালোচনা

ঢাকা প্রেস প্রতিবেদক

 

সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক আয়োজনের সমালোচনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, সচিবালয় একটি নির্বাহী প্রশাসনিক স্থান; সেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের নজির তারা অতীতে দেখেনি।
 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ বিষয়ে কথা বলেন জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এস এম হামিদুর রহমান আযাদ।
 

তিনি বলেন, বিএনপি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক করছে বলে তিনি শুনেছেন। একই সঙ্গে বিএনপি এখনো তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
 

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ে যে সংকট দেখা যাচ্ছে, তাতে তারা এখনো কাকে প্রার্থী করবে তা জাতি জানতে পারেনি। এ অবস্থায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
 

সচিবালয়ে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, সচিবালয় মূলত নির্বাহী বিভাগের কাজের জায়গা। সেখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ফোরামের বৈঠক আয়োজনের নজির অতীতে দেখা যায়নি। এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিএনপি গণতন্ত্রকে কীভাবে মূল্যায়ন করছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
 

তিনি আরও বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইতোমধ্যে দলের অবস্থান ও কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। সেখান থেকেই বিএনপির অবস্থান সম্পর্কে জাতি ধারণা পেয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে পরিবর্তনের প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
 

এদিকে ১১ দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্রে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রস্তাবক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আব্দুল্লাহ আল আমিন সমর্থক হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন বলে জানান হামিদুর রহমান আযাদ।
 

অলি আহমদকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীই বিজয়ী হতেন।