পটিয়ায় টিকার আওতায় আসছে ১৮২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৫ হাজার শিশু

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৪:২৫ অপরাহ্ণ   |   ৪১ বার পঠিত
পটিয়ায় টিকার আওতায় আসছে ১৮২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৫ হাজার শিশু

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি এমআর ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হচ্ছে প্রায় ৪৫ হাজার শিশু। উপজেলার ১৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬৪টি কিন্ডারগার্টেন এবং ১০১টি এবতেদায়ী ও নুরানি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এই টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত চলবে এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত উপজেলা কো-অর্ডিনেশন মিটিংয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়বের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ডা. শুভ্র দেবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও ফারহানুর রহমান বলেন, এমআর ভ্যাকসিন শিশুদের মারাত্মক দুটি সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। এই কর্মসূচি শতভাগ সফল করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কোনো শিশু যেন টিকার বাইরে না থাকে, তা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে উপজেলার প্রতিটি মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবরা যেন এ টিকা সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক বক্তব্য রাখেন সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এমআর টিকা অত্যন্ত কার্যকর ও নিরাপদ। মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা এই ক্যাম্পেইন সফল করার প্রধান শক্তি হবে। উপজেলার ১৮২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আগাম প্রচারণা চালানো হচ্ছে। শিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করা হচ্ছে। স্কুলভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে তারা যেন সর্বাত্মক সহযোগিতা করে।

সভায় বক্তারা বলেন, এই ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে পটিয়ায় হাম ও রুবেলা নির্মূলে বড় অগ্রগতি সাধিত হবে। এজন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

জরুরি এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিশ্বজিৎ কর্মকার, উপজেলা আইসিটি অফিসার মৃন্ময় দাশ, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন আক্তার হিমুসহ সাংবাদিক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।