পুলিশ সক্রিয় হলে সমালোচনা হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাপুলিশ সক্রিয় হলে সমালোচনা হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাপুলিশ সক্রিয় হলে সমালোচনা হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ৩১ আগu ২০২৫ ০১:৫৪ অপরাহ্ণ   |   ৩৪ বার পঠিত
পুলিশ সক্রিয় হলে সমালোচনা হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাপুলিশ সক্রিয় হলে সমালোচনা হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাপুলিশ সক্রিয় হলে সমালোচনা হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

পুলিশ আইন প্রয়োগে সক্রিয় হলে অনেকে সমালোচনা করেন বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
 

রোববার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।
 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পুলিশ যখন অ্যাকটিভ হয়, তখন অনেকে বলে বেশি করে ফেলেছে। কিন্তু বিষয়টা ক্রিকেট খেলার মতো নয় যে দাগ টেনে বলে দেওয়া যাবে কোনটা ‘ওয়াইড’। আগুন লাগার পর পুলিশ প্রতিরোধ করেছে, অথচ নিয়ম হচ্ছে আগুন লাগার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া। সম্প্রতি চট্টগ্রামেও এমন ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের ঘটনা কমাতে সবার সহযোগিতা দরকার।”
 

নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতি

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কতটা অবাধ ও সুষ্ঠু হবে তা নির্ভর করছে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা প্রদানে সর্বাত্মক প্রস্তুত রয়েছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা নিশ্চিত হলে অন্তর্বর্তী সরকার একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে পারবে।
 

তিনি আরও বলেন, “যে দল কার্যক্রম চালাচ্ছে না, তারা স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন না হওয়ার পক্ষে থাকবে। তবে নির্বাচন প্রতিহত করার দায় জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোকেই নিতে হবে।”
 

আইনশৃঙ্খলা কোর কমিটির বৈঠক

এদিন আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক নিউজ ও উসকানি প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
 

তিনি আরও জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে পুলিশ যেন নিরপেক্ষ থাকে— সে বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
 

রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর জোর

উপদেষ্টা বলেন, “জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলকে ক্ষুদ্র ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যে ফাটল ধরলে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।”
 

অবরোধে জনদুর্ভোগ

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকায় ও আশপাশে এক হাজার ৬০৪টি অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে, যার পেছনে ১২৩টি সংগঠন ছিল বলে জানান তিনি। এতে জনদুর্ভোগ ও যানজট বেড়েছে। এ সময় তিনি সড়কে অবরোধ না করে খোলা মাঠ বা উদ্যানে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।