পৃথক বোমা বিস্ফোরণ ও হামলায় ৮ পুলিশ সদস্য নিহত

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:২১ অপরাহ্ণ   |   ১৮৫ বার পঠিত
পৃথক বোমা বিস্ফোরণ ও হামলায় ৮ পুলিশ সদস্য নিহত

অনলাইন ডেস্ক:


 

পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশের ট্যাংক জেলায় বোমা বিস্ফোরণে আট পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) গোমাল থেকে ট্যাংকের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশের একটি সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্য করে পেতে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরিত হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
 

একই দিন খাইবার-পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত জেলার সদর থানার আওতাধীন দারা টাং এলাকায় পৃথক আরেকটি ঘটনায় পুলিশের একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ জানায়, দারা টাং সেতুর কাছে ডিভাইসটি পুঁতে রাখা হয়েছিল। ঘটনার সময় জেলা পুলিশ কর্মকর্তা নিয়মিত টহলে ছিলেন এবং ওই পথ দিয়েই যাওয়ার কথা ছিল। এর আগের দিন একই এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তিরা এক আইনজীবীকে অপহরণ করেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 

এদিকে, এর আগে রাতভর খাইবার-পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ডোমেল থানার আওতাধীন নালা কাশো পুলিশ পোস্টে একাধিক দিক থেকে গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা। পুলিশ পাল্টা গুলি চালিয়ে হামলা প্রতিহত করলে হামলাকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।
 

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) পেশোয়ার ও খাইবার জেলায় গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক দুটি অভিযান চালিয়ে ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’-এর সঙ্গে যুক্ত ছয়জন ‘অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত’ সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। পুলিশ জানায়, পেশোয়ারের জাহির ঘাড়ির কাছে টিপু সানো বাচা কবরস্থান এলাকায় প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয়। সেখানে তিন সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলেই নিহত হলেও কয়েকজন আবাসিক এলাকা ব্যবহার করে পালিয়ে যায়।
 

দ্বিতীয় অভিযানটি চালানো হয় খাইবার জেলার জামরুদের নাকা কাল্লে এলাকায়, শাহ কাস বাইপাস সড়কের কাছে। সিটিডি জানায়, সেখানে সন্ত্রাসীরা পুলিশের ওপর সমন্বিত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। অভিযানে আরও তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়।
 

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত সেনা, পুলিশ, কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিকসহ চার হাজারের বেশি পাকিস্তানি নিহত হয়েছেন।
 

সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন