ঢাবিতে দু’দিনব্যাপী ইয়াং স্কলার কনফারেন্স শুরু

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ৩০ মার্চ ২০২৬ ০৫:১৯ অপরাহ্ণ   |   ৩৮ বার পঠিত
ঢাবিতে দু’দিনব্যাপী ইয়াং স্কলার কনফারেন্স শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ ও জাপানিজ স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন সাউথ এশিয়ার উদ্যোগে এবং জাপান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ‘ইয়াং স্কলার কনফারেন্স ২০২৬ অন জাপান’স সফট ডিপ্লোমেসি ইন সাউথ এশিয়া: চেইঞ্জ এন্ড কন্টিনিউটি’ শীর্ষক দুইদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে।

 

আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টোকিও জাপান ফাউন্ডেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়াকাও কোইকে এবং ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসের মিনিস্টার তাকাহাশি নাওকি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান ও নয়াদিল্লিস্থ জাপান ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর জেনারেল কোজি সাতো । 

 

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাপানিজ স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন সাউথ এশিয়া’র সভাপতি অধ্যাপক ড. শ্রাবণী রায় চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। স্বাগত বক্তব্য দেন জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম।

 

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, জাপান বাংলাদেশের প্রধান দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বৈশ্বিক রাজনীতির পরিবর্তন, যেমন- নতুন আঞ্চলিকতাবাদ, চীনের প্রভাব বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জাপানকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মেলন তরুণ গবেষকদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ, বৃত্তি কার্যক্রম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেহান আসিফ আসাদ বলেন, জাপান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও গভীর। ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পরপরই জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। তিনি জাপানি জনগণের কর্মনিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও সততার প্রশংসা করে শিক্ষার্থীদের এসব গুণাবলি থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান।

 

দুইদিনব্যাপী এই সম্মেলনে জাপান, চীন, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকরা অংশগ্রহণ করছেন। সম্মেলনে মোট ১৪টি গবেষণাপত্র ১০টি সেশনে উপস্থাপন করা হবে।