শপথ নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে বিজয় যা বললেন

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১০ মে ২০২৬ ০২:০৩ অপরাহ্ণ   |   ৪২ বার পঠিত
শপথ নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে বিজয় যা বললেন

তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় শপথ নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে নিজেকে একজন “সাধারণ মানুষ” হিসেবে তুলে ধরেছেন। চেন্নাইয়ে দেওয়া ওই বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি কোনো রাজপরিবার বা রাজনৈতিক বংশের মানুষ নন, আর এ কারণেই সাধারণ মানুষ তাকে গ্রহণ করেছে।

 

 

৫১ বছর বয়সী এই অভিনেতা-থেকে-রাজনীতিক বলেন, তিনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না। তিনি “প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের নতুন যুগ” গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে জনগণকে তার কাজ মূল্যায়নের জন্য কিছুটা সময় দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

ভাষণে বিজয় বলেন, সরকারের সব সিদ্ধান্ত ও নীতির জন্য তিনিই দায়বদ্ধ থাকবেন।

 

এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তার নেতৃত্বাধীন সরকার জোটসঙ্গীদের চাপে পরিচালিত হবে না।

 

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার তামিলনাড়ুর মানুষের জীবনমান উন্নয়নে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

 

নির্বাচনী হলফনামায় বিজয় তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৬২৪ কোটি রুপি বলে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে ২১৩ কোটি রুপি সঞ্চয়ী হিসাবে এবং ১০০ কোটি রুপি বিভিন্ন ব্যাংকে স্থায়ী আমানত হিসেবে রয়েছে।

 

স্বচ্ছতার স্বার্থে রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের বিষয়ও বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।

 

বিজয়ের নতুন মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতাদের সমন্বয় দেখা গেছে। তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সহযোগীও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। সরকারের প্রথম সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে গৃহস্থালি গ্রাহকদের জন্য ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ এবং নারীদের নিরাপত্তায় বিশেষ বাহিনী গঠন।

 

মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ নেতা কে এ সেনগোট্টাইয়ানের পাশাপাশি তরুণ মুখ ড. টি কে প্রভু ও এস কীর্তানাও রয়েছেন। এছাড়া আধব অর্জুনা, এন আনন্দ, আর নির্মল কুমার ও কে জি অরুণরাজও মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

 

তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন দিলেও রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস থেকে কোনো নেতাকে নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়নি।