সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ০৮ মার্চ ২০২৬ ০৫:৩২ অপরাহ্ণ   |   ৬৭ বার পঠিত
সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের সব নারী ও কন্যাশিশুর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জুবাইদা রহমান। রোববার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন–এ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জাতিসংঘ–এর একটি বহুল প্রচলিত উক্তি হলো—“নারী যখন এগিয়ে যায়, তখন জাতিও এগিয়ে যায়।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ এমন একটি দেশে পরিণত হবে যেখানে প্রতিটি নারী ও কন্যাশিশু নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী হবে।

 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের সব নারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান জুবাইদা রহমান। একই সঙ্গে তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–কে।

 

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্রের অগ্রনায়ক ও একজন আপসহীন গণতান্ত্রিক নেত্রী ছিলেন। নানা অত্যাচার ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দৃঢ় ও অবিচল ছিলেন। তার জীবন থেকে নারীর শক্তি, নেতৃত্ব এবং সাহসের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়। তিনি সবসময় দেশের নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং স্বৈরশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।

 

জুবাইদা রহমান আরও বলেন, “খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি একজন মা, একজন যোদ্ধা এবং ন্যায়বিচারের প্রতীক। তার আদর্শ ও স্মৃতি আমাদের চলার পথের পাথেয় এবং গণতন্ত্রের পথে দিকনির্দেশনা।”

 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এ সময় প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রগতিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। তার পক্ষে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন তার নাতনি জাইমা রহমান।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন। এছাড়া বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, ইউএনডিপি–এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।