বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।
রেওয়াজ অনুযায়ী জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মন্ত্রিপরিষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানকে গোপনীয়তার শপথ পাঠ করান। এরপর স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী।
পরে রাষ্ট্রপতি একে একে ২৫ জন মন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ শেষে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তাদের দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এরপর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন—
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, শেখ রবিউল আলম, আসাদুল হাবিব দুলু, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, মোহাম্মদ আমিনুর রশীদ (টেকনোক্রেট) ও খলিলুর রহমান (টেকনোক্রেট)।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন—
এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, আজিজুল বারি হেলাল, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, ফরিদুল ইসলাম, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম ও আমিনুল হক (টেকনোক্রেট)।
শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জায়মা রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা **ড. মুহাম্মদ ইউনূস**সহ দেশি-বিদেশি অন্তত এক হাজার অতিথি অংশ নেন।