ঝিনাইদহের শৈলকুপা-লাঙ্গলবাঁধ সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে উপজেলার পাঠানপাড়া, হেতামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
সওজ বিভাগের খুলনা জোনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এস্টেট অ্যান্ড ল’ কর্মকর্তা পিজুস চন্দ্র দের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন, জমি ও স্থাপনার ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ না করেই উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়েছে।
পাঠানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সড়ক বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী সব কাগজপত্র জমা দেওয়া হলেও এখনো জমি ও স্থাপনার কোনো মূল্য পরিশোধ করা হয়নি। এর মধ্যেই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পিজুস চন্দ্র দে বলেন, জমি অধিগ্রহণের সব নিয়ম মেনেই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারি কোনো জটিলতা নেই। ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ থাকায় ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণে বিলম্ব হচ্ছে। ওয়ারিশরা সমঝোতায় পৌঁছালে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পরিশোধ করা হবে বলে জানান তিনি।
অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জিয়াউদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী আহসান উল কবির, মেজর মোস্তফা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাসান আল মামুন এবং শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরে উচ্ছেদ করা স্থাপনাগুলোর মালামাল উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। এতে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে ৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকায় মালামাল বিক্রি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।