পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শনিবার রাজধানীর গাবতলী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, কোরবানির পশুর হাটে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে, সে জন্য সরকার বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে। একই সঙ্গে জাল টাকা শনাক্তে প্রয়োজনীয় মেশিন স্থাপন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের বাজারে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। ফলে পশুর সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।
সরকারি তথ্যমতে, এবার কোরবানির জন্য দেশে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশু। এর বিপরীতে দেশে প্রস্তুত রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি পশু। সে হিসেবে প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
প্রাপ্য পশুর মধ্যে রয়েছে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি গরু ও মহিষ, ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি ছাগল ও ভেড়া এবং ৫ হাজার ৬৫৫টি অন্যান্য প্রজাতির পশু।
এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদও জানিয়েছেন, চলতি বছর কোরবানির পশুর সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি থাকায় বাজারে কোনো ঘাটতির সম্ভাবনা নেই।