বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আইনজীবী সমিতির নির্বাচন চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এক সংবাদকর্মী হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী দৈনিক গণকণ্ঠের বাঁশখালী প্রতিনিধি মোহাম্মদ রফিউল করিম চৌধুরী জানান, গত ২০ এপ্রিল নির্বাচন চলাকালে কেন্দ্র এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় হট্টগোল ও উত্তেজনা তৈরি হয়। সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কার মধ্যে তিনি ভিডিও ধারণ ও তথ্য সংগ্রহ করছিলেন।
তার অভিযোগ, এ সময় একটি সংঘবদ্ধ দল তাকে ঘিরে ধরে এবং অশালীন আচরণ করে। পরিচয়পত্র দেখানোর পরও অ্যাডভোকেট আনিসুল ইসলাম আপত্তি জানিয়ে বলেন, “এখানে সাংবাদিকদের কাজ কী? ভিডিও করা যাবে না।”
রফিউল করিমের দাবি, একপর্যায়ে তাকে ঘিরে ‘মব’ তৈরি করা হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরে অ্যাডভোকেট মফিজুর রহমান জোরপূর্বক তার ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে দেন।
তিনি বলেন, “এটি শুধু ব্যক্তিগতভাবে আমাকে অপমান করা নয়; গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন।”
ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য আইনজীবীরা এ ঘটনায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।